সেটকম এগ্রো প্রসেসিং লিঃ - রাজবাড়ি (হাতিগাড়া) শেরপুর , বগুড়া
দূষণে আচ্ছাদিত ব্যস্ততম এই নগরীতে ছুটি পেলেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ খুঁজে সেখানে আমরা ছুটে যাই। ইট, পাথরের কর্মব্যস্ততাকে একটু ফাঁকি দিয়ে পড়ন্ত বিকেলের নির্মল বাতাসে প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন এক অসাধারণ মুহূর্ত। সবুজের মেলায় প্রাণবন্ত, প্রকৃতির নির্মল ছোঁয়া, মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য আর চারপাশে দেশি-বিদেশী গাছগাছালির মিলনমেলা- বলছি বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার অদূরে অবস্থিত “সেটকম এগ্রো প্রসেসিং“ লিঃ ( সাবেক সাউদিয়া পার্ক) এর কথা।
নৈসর্গিক মায়ায় মুগ্ধ হতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন অসংখ্য দর্শনার্থী। নগর সভ্যতায় হাঁপিয়ে ওঠা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে যেন মরুভূমির মাঝে এক পানির কূপের সন্ধান
! ছুটির দিন
ছাড়া
কর্মব্যস্ত
দিনগুলোতেও
দর্শনার্থীদের
বেশ
আনাগোনা
থাকে
এখানে।
বাংলাদের যে কোনো প্রান্ত থেকে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় আসবেন। এখান থেকে রিকশায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা ভাড়ায় পৌছে যাবেন “সেটকম এগ্রো প্রসেসিং “ লিঃ বা সাবেক সাউদিয়া পার্কে।
দর্শনের সময়সূচি
কাল ও মাসভেদে পার্ক পরিদর্শনের সময়সূচি পরিবর্তিত হয়। মার্চ-নভেম্বর মাসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এবং ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত পার্ক খোলা থাকে।
কি কি রয়েছে
সবুজে ঘেরা এই পার্কে শিক্ষা, বিনোদন ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিবছর প্রায় এক থেকে
দেড় লক্ষ দর্শনার্থী ছুটে আসেন। সুবিশাল আয়তনের এই পার্কে রয়েছে মোট ৭টি জলাশয়, ১টি দ্বীপসহ কৃত্রিম হৃদ, ১টি কৃত্রিম জলপ্রপাত, ৩টি শোভাবর্ধন বাগান, ২টি মৌসুমী ফুলের বাগান, ১টি মসজিদ, ১টি নাগোর দোলা, ৩টি গণশৌচাগার, ১টি স্ন্যাক্স কর্নার, ও ১টি চিড়িয়াখানা এবং বিশাল পিকনিক
স্পট।
সতর্কতা
১. পার্কের অভ্যন্তরে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
২. অবৈধ বস্তু নিয়ে পার্কে প্রবেশ থেকে বিরত থাকুন।
৩. পার্কের ভেতর শালীনতা বজায় রাখুন, এবং অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকুন।



.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
No comments